কাসেম সোলেইমানি হত্যা: এবার ইরাককে চরম অবরোধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবির ক্যাপশান, 'আমরা তাদের উপর এমন অবরোধ আরোপ করবো যা আগে কখনো দেখেনি তারা' - ডোনাল্ড ট্রাম্প
Published

ইরাকের পার্লামেন্ট দেশটি থেকে মার্কিন সেনাবাহিনীকে চলে যেতে বলার আহ্বান জানানোর পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির ওপর চরম অবরোধ আরোপের হুমকি দিয়েছেন।

'আমাদের খুবই ব্যয়বহুল একটি বিমানঘাঁটি সেখানে আছে। এটা বানাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। এটার ক্ষতিপূরণ যতক্ষণ না দিচ্ছে তারা, ততক্ষণ আমরা সেখান থেকে যাচ্ছি না', সাংবাদিকদের বলেন মি. ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে বাগদাদ সফররত ইরানী জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার পর থেকেই চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ইরান 'চরম প্রতিশোধ' নেবার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেছে।

৬২ বছর বয়স্ক সোলেইমানি ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানী সামরিক কর্মসূচীর প্রধান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের চোখে তিনি ছিলেন সন্ত্রাসী।

নিহত জেনারেলের মৃতদেহ ইরানে নেবার পর সেখানে কয়েকদিনব্যাপী শেষকৃত্য চলছে।

সোমবার সকালে তেহরানের রাস্তায় বহু মানুষ নেমে আসে শোক প্রকাশ করবার জন্য।

সোলেইমানি
ছবির ক্যাপশান, সোলেইমানিকে ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি বলে মনে করা হতো

নিহত জেনারেল সোলেইমানির নেতৃত্বাধীন কুদস ফোর্সের নতুন প্রধান মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বহিষ্কার করার শপথ নিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় বেতারে এসমাইল কানি বলেন, "আমরা শহীদ সোলেইমানির দেখানো পথে সমান শক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করছি...এবং আমাদের জন্য একমাত্র ক্ষতিপূরণ হবে এই অঞ্চল থেকে আমেরিকার অপসারণ"।

কী ধরণের অবরোধের হুমকি দিচ্ছেন ট্রাম্প?

প্রেসিডেন্সিয়াল প্লেনে বসে মি. ট্রাম্প বলেন, ইরাক যদি সেখান থেকে শত্রুতামূলকভাবে মার্কিন সৈন্যদের চলে যেতে বলে, "তাহলে আমরা তাদের উপর এমন অবরোধ আরোপ করবো যা আগে কখনো দেখেনি তারা। এই অবরোধের কাছে ইরানের উপর আরোপ করা অবরোধকে ম্লান বলে মনে হবে"।

কথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তৈরি করা আন্তর্জাতিক কোয়ালিশনের অংশ হিসেবে ৫ হাজার আমেরিকান সৈন্য এখন ইরাকে রয়েছে।

রবিবার ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিরতি টানে কোয়ালিশন। একই দিনে ইরাকি এমপিরা পার্লামেন্টে একটি রেজোল্যুশন পাশ করে, যেখানে বিদেশি সৈন্যদের ইরাক ত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়।

আরো খবর: