করোনাভাইরাস লকডাউন: বাংলাদেশে বিধিনিষেধের সময়সীমা আরো ১০দিন বাড়ানো হয়েছে

হাসপাতাল
ছবির ক্যাপশান, করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় হাসপাতালে যাচ্ছেন অনেকে
Published

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান লকডাউনের মেয়াদ আরো দশদিন বাড়িয়ে ১৬ই জুন মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আজ রোববার শেষ হচ্ছে।

দেশে এ বছরে এ নিয়ে নবমবারের মত লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হলো।

রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৬ই জুন পর্যন্ত সময়ে দেশের পর্যটন, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার এবং বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে জনসমাবেশ হয় এমন যেকোন সামাজিক অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে।

আরো পড়তে পারেন:

এছাড়া কোভিড-১৯ এর উচ্চ-ঝুঁকি সম্পন্ন জেলাসমূহের জেলা প্রশাসকদের নিজ নিজ জেলার কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁ এবং আন্তঃজেলা গণ-পরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে আগের নির্দেশনায় কোন পরিবর্তন আনা হয়নি।

এর মানে হচ্ছে সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁ, এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা দেয়া যাবে।

আর আন্তঃজেলা গণ-পরিবহন আসনসংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে পারবে।

এ সময়ে দেশের সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর বিধিনিষেধের সময় সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তের হার বাড়তে থাকলে সরকার এপ্রিলের পাঁচ তারিখ থেকে প্রথমে এক সপ্তাহের লকডাউন দিয়েছিল।

এরপর দফায় দফায় প্রজ্ঞাপন জারি করে বাড়ানো হয়েছে বিধিনিষেধের মেয়াদ।

তবে, কাগজে-কলমে বিধিনিষেধ জারি রয়েছে বলা হলেও, বাংলাদেশে বেশ অনেকদিন ধরে দোকানপাটসহ বিভিন্ন অফিসের কার্যক্রম চলছে।

এক পর্যায়ে শহরের মধ্যে যানবাহন চালু করা হয়।

এরপর ২৩শে মে থেকে আন্তঃজেলা পর্যায়ের যানবাহনও চালু করা হয়েছে।