বিএনপির বিজয় ঠেকাতে কেউ কেউ নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন: তারেক রহমান

বাংলাদেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির বিজয় ঠেকানোর জন্য নানা রকম অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন যারা, তাদের বলতে চাই, রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়েই মোকাবেলা করুন। এদিকে, বাংলাদেশে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন।

সরাসরি কভারেজ

  1. বৃহস্পতিবার সারাদিন যা যা হলো-

    • বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির বিজয় ঠেকানোর জন্য নানা রকম অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন যারা, তাদের বলতে চাই, রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়েই মোকাবেলা করুন।
    • সামরিক বাহিনীর অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগে দায়ের করা আটটি মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে জামিন দিয়েছে আদালত।
    • জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, “মানুষ যতটা অত্যাচারিত তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভীত ও সন্ত্রস্ত। শুধু হিন্দুরাই নয়, দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত”।
    • আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন।
    • দেশে একাত্তরকে ভুলিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
    • গণঅভ্যুত্থানের পর আগামী বছর থেকে পাঠ্য বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
    • সরকারি এবং কূটনীতিক পাসপোর্টে পারস্পারিক ভিসা অব্যাহতি সুবিধা পেতে পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
    • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসু নির্বাচনে উমামা ফাতেমা ও আল সাদী ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ নামে প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে।
    • ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। কয়েক ঘণ্টা চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় সাথে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আরও সংবাদ ও বিশ্লেষণ পেতে ভিজিট করুন বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইট।

  2. বিএনপির বিজয় ঠেকাতে কেউ কেউ নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন: তারেক রহমান

    অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান
    ছবির ক্যাপশান, অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “যারা মনে করছেন নির্বাচন দিলে জনগণ ভোট দিয়ে বিএনপিকে সরকার গঠনে সহায়তা করবে, যারা এই চিন্তা থেকে বিএনপির বিজয় ঠেকাতে নানা রকম অপকৌশলের বা শর্তের বেড়াজালের আশ্রয় নিচ্ছেন।

    "তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়েই মোকাবেলা করুন"।

    বৃহস্পতিবার বিকালে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এই মন্তব্য করেন।

    বিএনপি নেতা মি. রহমান বলেন, বিএনপির বিজয় ঠেকানোর জন্য নানা রকম অপকৌশলের বা শর্তের বেড়াজালের আশ্রয় নিচ্ছেন যারা, জনগণের শক্তির উপরে আস্থা এবং বিশ্বাস রাখুন। বিএনপির বিজয় যদি জনগণ দিয়েই থাকে, সেই বিজয় ঠেকাতে গিয়ে জনগণের রায় প্রদানের পথ রুদ্ধ করবেন না।”

    তিনি বলেন, ‘‘ যারা আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার অপচেষ্টা করছেন এর মাধ্যমে আপনারা হয়ত নিজের অজান্তেই গণতন্ত্রের উত্তরণের পথকে বাধাগ্রস্ত করে তুলছেন।”

    ‘‘একই সাথে পতিত পরাজিত পলাতক স্বৈরাচার পুনর্বাসনের পথও হয়তবা সুগম হচ্ছে, যদি আমরা গণতন্ত্র উত্তোলনের পথে শর্তের পর শর্ত আরোপ করতে থাকি”, যোগ করেন তিনি।

    রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, “গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের মধ্যেকার বিরোধ এমন পর্যায়ে নেওয়া উচিত হবে না যেই বিরোধকে পুঁজি করে পরাজিত ফ্যাসিবাদ নিজেদের অপকর্মকে জাস্টিফাই করার সুযোগ নিতে পারে।”

    তিনি বলেন, ‘‘আমরা মনে করি প্রতিটি ইস্যুতে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের ওই মত হতেই হবে, এটি এমন জরুরি নয়। তবে অবশ্যই পলাতক স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ তাদের পুনর্বাসন ঠেকানো কিংবা দেশকে তাবেদার মুক্ত রাখার মতন স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলিতে অবশ্যই ঐকমত্য এবং ঐক্যবদ্ধ থাকা অত্যন্ত জরুরি।”

  3. দেশের অর্ধেকের বেশী মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত: জিএম কাদের

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের
    ছবির ক্যাপশান, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, “মানুষ যতটা অত্যাচারিত তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভীত ও সন্ত্রস্ত। শুধু হিন্দুরাই নয়, দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত”।

    বৃহস্পতিবার জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

    জিএম কাদের বলেন, “দুঃখের বিষয় হচ্ছে, রাজনৈতিক কারণে যাদের আটক করা হচ্ছে তাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না। জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু যারা গ্রেফতার হয়েছেন তাদের জামিন হচ্ছে না”।

    তিনি আরো বলেন, “যাকেই সরকারের কঠিন প্রতিপক্ষ মনে করা হচ্ছে তাদেরকেই এধরনের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে। এভাবেই সাধারণ মানুষকে দমন করা হচ্ছে”।

    জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, “অনেক উপদেষ্টাকেই ব্যক্তিগতভাবে চিনি এবং জানি যে তারা অত্যন্ত সৎ। কিন্তু, তাদের ডিপার্টমেন্টে যদি হরিলুট চলে তাহলে উপদেষ্টাবৃন্দ কি দুর্নীতির দায় এড়াতে পারেন”?

    তিনি বলেন, “আমরা শান্তি চেয়েছিলাম, আমরা একটি সুন্দর দেশ চেয়েছিলাম। আমরা অভিযোগ পাচ্ছি, হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চলছে, বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে। হিন্দুদের উপর আগেও অত্যাচার ও নির্যাতন চলেছে। তখন তারা একটি জায়গায় বিচার চাইতে পেরেছে”।

  4. দেশে একাত্তরকে ভুলিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির উদ্যোগে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সন্মানে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব
    ছবির ক্যাপশান, বিএনপির উদ্যোগে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সন্মানে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব।

    দেশে একাত্তরকে ভুলিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকায় বিএনপির উদ্যোগে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সন্মানে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব এই আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, আজকে একটা প্রচ্ছন্ন প্রচেষ্টা আছে একাত্তরকে ভুলিয়ে দেওয়ার। এটার বিরুদ্ধে কিন্তু আমাদেরকে সমস্ত বাংলাদেশের নাগরিককে তাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ২৪’র জুলাই-আগস্ট যেভাবে সত্য, ঠিক একইভাবে সত্য কিন্তু একাত্তরের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “আজকে একটা নতুন করে কথা উঠছে, ষড়যন্ত্র চলছে। বাংলাদেশে এখানে এক ধরনের উগ্রবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। এই উগ্রবাদকে মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া যাবে না। তাহলে আমাদের বাংলাদেশের যে আত্মা, যে সোল সেই অস্তিত্ব আমাদের রক্ষা পাবে না”।

    দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘অতীতে যা হয়েছে। এখন বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য, বাংলাদেশকে টিকিয়ে রাখার জন্য, বাংলাদেশকে সামনে নেওয়ার জন্য, বাংলাদেশকে আরো উন্নত করবার জন্য আমাদেরকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।”

    এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, “আওয়ামীলীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সমস্ত গণতান্ত্রিক কাঠামো কাঠামো ভেঙ্গে ধ্বংস করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগ এদেশের সম্পদকে লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। প্রায় 88 লক্ষ কোটি টাকা তারা বিদেশে পাচার করেছে।”

  5. আগামী বছর থেকে পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন- আসিফ মাহমুদ

    গণঅভ্যুত্থানের পর আগামী বছর থেকে পাঠ্য বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
    ছবির ক্যাপশান, গণঅভ্যুত্থানের পর আগামী বছর থেকে পাঠ্য বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    গণঅভ্যুত্থানের পর আগামী বছর থেকে পাঠ্য বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    তিনি জানিয়েছেন, নতুন পাঠ্য পুস্তকে যুক্ত করা হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, বিগত চারটি নির্বাচন নিয়ে তথ্য।

    বৃহস্পতিবার বিকেল নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।

    এই ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে ২৪- এর গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষের সংগ্রামের গল্প পৌঁছে দিতে পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক চারটি জাতীয় নির্বাচনের তথ্য”।

    এই পোস্টের সাথেই তিনি একটি ফটো কার্ড শেয়ার করেন ফেসবুকে। যেখানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবির সাথে ফটোকার্ডে লেখা রয়েছে- “বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে গণহত্যাকারী হিসাবে যুক্ত হচ্ছে শেখ হাসিনার নাম”।

    এর আগেও গত বছরের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর পাঠ্য পুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়।

    ২০২৫ সালের পাঠ্যপুস্তকে যুক্ত করা হয় জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি। বাদ দেওয়া হয় বইয়ের প্রচ্ছদে থাকা শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত উক্তি।

  6. জামিন পেয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, তবে মুক্তি পাচ্ছেন না এখনই

    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (ফাইল ছবি)
    ছবির ক্যাপশান, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (ফাইল ছবি)

    সামরিক বাহিনীর অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগে দায়ের করা আটটি মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে জামিন দিয়েছে আদালত।

    তবে আটটি মামলায় জামিন পেলেও এখনই কারামুক্ত হতে পাচ্ছেন না দেশটির সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। কেননা একটি দুর্নীতির মামলায় চৌদ্দ বছরের সাজাপ্রাপ্ত রয়েছেন ইমরান খান।

    বৃহস্পতিবার আট মামলায় তাকে জামিন দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

    প্রধান বিচারপতি ইয়াহিয়া আফ্রিদির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করেন। লাহোর হাইকোর্ট জামিন না দেয়ার পর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মি. খান। পরে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

    যদিও তাকে তোশাখানার দুইটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইমরান খানের আইনজীবীরা একশ নব্বই মিলিয়ন পাউন্ড মামলার রায়কে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছেন।

    শুনানি চলাকালীন যুক্তি উপস্থাপনের সময় বিশেষ প্রসিকিউটর জুলফিকার নকভি বলেন, ৯ই মে-এর ঘটনাবলীর নির্দেশ ইমরান খানই দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এই আটটি মামলা সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে বিচারাধীন।

    তিনি বলেন, দুই বছর ধরে বিভিন্ন আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

    প্রধান বিচারপতি বলেন যে, আদালত এই মামলার বিচারে যাবে না এবং কেবল জামিনের বিষয়টিই দেখবেন তারা।

    পরে প্রসিকিউটরকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, মামলায় ইমরান খানের বিরুদ্ধে তার কাছে কী প্রমাণ আছে, যার জবাবে আদালতকে বলা হয়, এই মামলায় তিনজন সাক্ষীর বক্তব্যও রেকর্ডে রয়েছে।

    তবে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতের কাছে সন্তোষজনক উত্তর উপস্থাপন করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত জামিন পান এক সময়ের বিশ্বসেরা এই ক্রিকেটার।

    আদালত ইমরান খানের আইনজীবী সালমান সফদারকে যুক্তি উপস্থাপনের নির্দেশ দেয় এবং তার যুক্তি উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, এই আটটি মামলার মধ্যে পাঁচটিতে ইমরান খানের নাম নেই।

    উল্লেখ্য, ইমরান খানের জামিন আবেদনের শুনানিকারী বেঞ্চটিও এর আগে পরিবর্তন করা হয়েছিল। বিচারপতি মিয়াঁ গুল হাসান আওরঙ্গজেবের স্থলে বিচারপতি হাসান আজহার রিজভিকে তিন সদস্যের বেঞ্চে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

  7. পাকিস্তানের সঙ্গে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি অনুমোদন

    পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মানচিত্র
    ছবির ক্যাপশান, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মানচিত্র

    সরকারি এবং কূটনীতিক পাসপোর্টে পারস্পারিক ভিসা অব্যাহতি সুবিধা পেতে পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

    বাংলাদেশে সংবাদ সংস্থা- বাসসের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

    মি. আলম জানিয়েছেন, "পাকিস্তানের মতো এ রকম চুক্তি আমরা আরও ৩১টি দেশের সঙ্গে করেছি। এই চুক্তি পাঁচ বছরের জন্য করা হবে । এর ফলে যারা অফিসিয়াল পাসপোর্ট এবং কূটনীতিক পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন, তারা এখন বিনা ভিসায় পাকিস্তান সফর করতে পারবেন।"

    তিনি জানান, একইভাবে পাকিস্তানের যারা অফিসিয়াল এবং কূটনীতিক পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন তারাও বাংলাদেশে সফর করতে পারবেন কোনো ভিসা ছাড়াই।

    উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানিয়েছেন, এ বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের সম্মতি পাওয়া গেছে।

  8. ডাকসুতে উমামা ফাতেমার নেতৃত্বাধীন স্বতন্ত্র প্যানেল ঘোষণা

    স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে ভিপি পদে লড়বেন উমামা ফাতেমা
    ছবির ক্যাপশান, স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে ভিপি পদে লড়বেন উমামা ফাতেমা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসু নির্বাচনে উমামা ফাতেমা ও আল সাদী ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ নামে প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলনে এই প্যানেল ঘোষণা করা হয়।

    এ প্যানেল থেকে ভিপি পদে লড়বেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা, জিএস পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া ও এজিএস পদে লড়বেন জাহেদ আহমদ।

    ডাকসুর নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে সব মিলিয়ে দেড় হাজারেরও বেশি প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

    ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫০৯জন। আর হল সংসদে ১৮টি হলে মোট ১ হাজার ১০৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।

    এর আগে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ ও বাম জোট আলাদা আলাদা প্যানেল ঘোষণা করেছে।

    ডাকসুতে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালে।

  9. ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি, যে কারণে সংঘর্ষ

    বৃহষ্পতিবার ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে
    ছবির ক্যাপশান, বৃহষ্পতিবার ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে

    টানা তিন ঘণ্টা ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। সংঘর্ষে দুই কলেজের অন্তত দশজন আহত হয়েছে।

    প্রায়ই এই দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এবার একটি কোচিং সেন্টারে বসাকে কেন্দ্র করে বৃহষ্পতিবার সংঘাতে জড়ায় দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    বর্তমানে এই দুই কলেজের সামনেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    নিউমার্কেট থানার ওসি এ কে এম মাহফুজুল হক বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, দফায় দফায় সংষর্ষের পর বিকেল তিনটার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। এরপর সায়েন্সল্যাব ও নিউ মার্কেট এলাকার রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়েছে।

    এর আগে সকাল ১১টার দিকে ঢাকা ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে ইটপাটকেল ছোড়ে। লাঠি নিয়ে তাঁদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে।

    এক পর্যায় পুলিশের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত দশজন আহত হয়েছে।

    ওই দুটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে শুরু হলে ওই এলাকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তীব্র যানজট দেখা যায় আশপাশের রাস্তায়।

    নিউ মার্কেট থানার ওসি মি. হক বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, উদ্ভাস নামের একটি কোচিং সেন্টারে বসাকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গত মঙ্গলবার কথা কাটাকাটি হয়।

    ওই ঘটনার পর থেকে এই দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার বড় ধরনের সংঘর্ষে জড়ায় দুইটি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষ বন্ধ হওয়ার পরও দুই কলেজের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো থমথমে রয়েছে পরিস্থিতি।

  10. নির্বাচনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন

    বৃহষ্পতিবার রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন
    ছবির ক্যাপশান, বৃহষ্পতিবার রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন।

    দুপুরে ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে এই বৈঠকটি শুরু হয়।

    রোডম্যাপ চূড়ান্তের পরই সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনাররা বৈঠকে বসবেন। কবে এই নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে সেটিও জানাবে ইসি।

    ইসির সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন যে পরিকল্পনা করেছে, সে অনুযায়ী আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রোজার আগে ত্রয়োদশ সংসদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছিলেন, ভোটের প্রায় দুই মাস আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

    এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে চলতি বছরের ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

    চলতি বছরের শুরুতে যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে, সে অনুযায়ী ১২ কোটি ৩৭ লাখ ভোটার আগামী নির্বাচনে ভোট দিবে।

    এবার প্রথম বারের মতো ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন প্রবাসী ভোটাররা।